কোরীয় বিনিয়োগ আনতে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিবিআইএল) ও কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই)। চুক্তির মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং পুঁজিবাজারে তাদের প্রবেশ সহজ করা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে কৌশলগত অংশীদারত্বে যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে কেবিসিসিআই কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দীন খান, মহাসচিব মিলিয়ন পার্ক ও পরিচালক চৈতন্য কুমার দে। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এম ওমর তায়ুব। এ ছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অংশীদারির মাধ্যমে বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি কার্যকর আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলা হবে। বিশেষ করে দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ ও আর্থিক সেবা প্রদানে একসঙ্গে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান।
চুক্তির আওতায় কেবিসিসিআই সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেবা দেবে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে মূলধন সংগ্রহে সহায়তা, ব্যবসায়িক পরামর্শ, পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা এবং ডিসক্রিশনারি ইনভেস্টমেন্ট সেবা।
এর ফলে কোরীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা পাবেন এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিশেষায়িত আর্থিক সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রবাসীদের বিনিয়োগ কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের এমডি ও সিইও সৈয়দ এম ওমর তায়ুব বলেন, এই সহযোগিতা কৌশলগত বিনিয়োগ সহজ করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বিনিয়োগ সংযোগ আরো শক্তিশালী হবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দীন খান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে কোরীয় বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ এখন একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। এই অংশীদারির মাধ্যমে কোরীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে প্রবেশ আরো সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
Source: Kaler Kontho, Saturday, May09, 2026